You are currently viewing প্রাকৃতিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপায়

প্রাকৃতিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপায়

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার।

বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভাইরাস মোকাবিলা করতে সাহায্য করে।

পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপায় সম্পর্কে জানানো হল।

ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার: ভাইরাসের সঙ্গে মোকাবেলা করতে ভিটামিন ডি’র উপকারিতা প্রমাণিত। যা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা পেতে সহায়তা করে।

ভিটামিন ডি পাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হল সূর্যালোক। লকডাউনের কারণে যেহেতু এখন বাইরে যাওয়া সম্ভব না তাই খাবারের মাধ্যমে ভিটামিন ডি গ্রহণ করার ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রাকৃতিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপায়

মাছ, ডিম ও মাশরুম বিপাক বাড়ানোর পাশাপাশি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

এগুলোর পাশাপাশি, পর্যাপ্ত ঘুম, ধূমপান ও নেশার অভ্যাস বাদ দেওয়া, মানসিক চাপ কমানো ও পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি বলে পরামর্শ দেন, ভারতের ইন্টারন্যাশনাল ফার্টিলিটি সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ও স্ত্রীরোগ-ধাত্রীবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ডা. রিতা বকশি।

প্রদাহনাশক খাবার: শরীরেরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রদাহনাশক খাবার খাওয়া প্রয়োজন। হলুদ, টমেটো, জলপাইয়ের তেল, আদা, মাছের তেল, আখরোট, বেরি ইত্যাদি ওমেগা-থ্রি সমৃদ্ধ খাবার রোগ প্রতরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

আঁশ সমৃদ্ধ খাবার: আঁশ সমৃদ্ধ খাবার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পর্যাপ্ত পুষ্টি উপাদান সরবারহ করে। এটা খনিজ ও ভিটামিন সমৃদ্ধ যা শরীরের পর্যাপ্ত সম্পূরক যোগায়। আরও পড়ুনঃ পেয়ারার পুষ্টিগুণ

আঁশ-জাতীয় খাবার শরীরে দুর্বলতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস করে এমন সংক্রমণ ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে।

বর্তমান সময়ে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো সবচেয়ে বেশি জরুরি। নতুন ভাইরাস বা ফ্লু’র থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এমন খাবার যেমন- দই, পালংশাক, কাঠবাদাম, গ্রিন টি, সূর্যমুখীর বীজ, টক ফল ইত্যাদি খাবার প্রতিদিনকার খাবার তালিকায় যোগ করার পরামর্শ দেন ডা. বকশি। আরও পড়ুনঃ শীতে কমলালেবু নিয়মিত খাওয়ার উপকারিতা

This Post Has ১ Comments

Leave a Reply